শিরোনাম
গোদ রোগ নির্মূল ও প্রতিরোধ বিষয়ক জেলা অবহিত করণ সভা
বিস্তারিত
গোদ রোগের উপর সামাজিক উদ্বুদ্ধকরণ সভায় বক্তারা
-----------------------------------------------------------
দিনাজপুর জেলায় প্রায় ৩ হাজার ৬৭জন ফাইলেরিয়া রোগী রয়েছে
========================================
স্টাফ রিপোর্টার ॥ “গোদ রোগের যুত্ন নিলে, বিকলাঙ্গতা থেকে মুক্তি মেলে”-এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ২৮ অক্টোবর বুধবার ২৫০ শর্য্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের শহীদ ডাঃ আব্দুল জব্বার মিলনায়তনে সিভিল সার্জন অফিস, লেপ্রা বাংলাদেশ এবং ফাইলেরিয়াসিস নির্মূল, কৃমি নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষুদে ডাক্তার কার্যক্রম রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে এবং এসেন্ড প্রকল্প, ইউকেএইড এর আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় জেলা পর্যায়ে গোদ রোগের উপর সামাজিক উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুল কুদ্দুছ এর সভাপতিত্বে সম্মানীত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ শরিফুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের উপ-পরিচালক ডাঃ আবু নছর মোঃ নুরুল ইসলাম চৌধুরী, দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ আসিফ আহম্মেদ হাওলাদার ও ঢাকা হতে আগত লেপ্রা বাংলাদেশের ট্রেনিং ম্যানেজার ডাঃ মোঃ লুৎফর রহমান। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন সিভিল সার্জন অফিসের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা অফিসার মোঃ নুরুল ইসলাম। বক্তারা বলেন, দিনাজপুর জেলায় প্রায় ৩ হাজার ৬৭ জন ফাইলেরিয়া রোগী রয়েছে এবং বাংলাদেশে মোট রোগী ৪৩ হাজার ৭০৮ জন। এদের চিকিৎসার আওতায় আনতে হবে। তাদের যুত্ন নিতে হবে। গোদরোগ ব্যবস্থাপনা ও বিকলাঙ্গতা প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমে জন সম্পৃক্ততা সৃষ্টি করতে হবে। পাশাপাশি গোদ রোগীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য পুনর্বাসনের সহায়তা করতে হবে। কুসংস্কার ও সামাজিক বৈষম্য দূরিকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সবচেয়ে সুখের কথা হলো বাংলাদেশে ২০২০ সালে ফাইলেরিয়া রোগ নির্মুল লক্ষমাত্রা অর্জনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।
বক্তারা আরো বলেন, ফাইলেরিয়া একটি পরজীবি রোগ। বিভিন্ন প্রজাতির মশার মধ্যে মূলত কিউলেক্স দ্বারা উচেরেরিয়া ব্যানক্রফটি নামক পরজীবি বাংলাদেশে এই রোগটি করে থাকে।